Darul Ifta, Rahmania Madrasah Sirajganj

ভাষা নির্বাচন করুন বাংলা বাংলা English English
ফাতাওয়া খুঁজুন

সালাত (নামাজ)

মাসবুক ব্যক্তির নামাজের কিছু বিধান

ফতওয়া কোডঃ 150-সা-08-08-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম।

১. হযরত, ফজরের ২য় রাকাতের ফরজে ইমাম সাহেবের পিছনে ১ রাকাআত পাবার পরে ইমামের শেষ বৈঠকে কি তাশাহুদ, দরুদ শরীফ, দুআ সবই পড়তে হবে? নাকি শুধু তাশাহুদ পড়লেই হবে? আর পড়লে কোন সমস্যা আছে?

২. ৪ রাকাত ফরজের ২ রাকাতের সময় তাশাহুদের পরে ভুলে দূরুদ পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা লাগবে কিংবা নামায মাকরুহ হবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

১. মাসবুক ব্যক্তি উক্ত বৈঠকে শুধু তাশাহুদ পড়বে।

২. চার রাকাআত বা তিন রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর দরুদ শরীফ পাঠ করলে পরবর্তী রাকাত বিলম্ব হয়, যেহেতু সাথে সাথেই দাড়ানোর নিয়ম ছিলো, আর দরুদ শরীফ পাঠ করার কারনে দাড়ানোর ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব হলো, তাই সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে। তাশাহুদের পর শুধুমাত্র ৪২ হরফ পরিমাণ পড়লে তথা “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলী মুহাম্মদ” পর্যন্ত পড়লে সেজদায়ে সাহু আবশ্যক হয়ে যায়। হযরত শাবী রহঃ বলেনঃ যে ব্যক্তি প্রথম দুই রাকাতের বৈঠকে তাশাহুদের পর কোন কিছু পড়ে, তাহলে তার উপর দুই সেজদায়ে সাহু দেয়া আবশ্যক।

সুত্রসমূহ

رد المحتار: 2/220-221 وأما المسبوق فيترسل ليفرغ عند سلام إمامه وقيل يتم وقد يكرر كلمة الشهادة، وقال ابن عابدين- ( قوله فيترسل ) أي يتمهل ، وهذا ما صححه في الخانية وشرح المنية في بحث المسبوق من باب السهو وباقي الأقوال مصحح أيضا…… وقيل يكرر كلمة الشهادة كذا في شرح المنية والذي في البحر والحلية والذخيرة يكرر التشهد تأمل

فتاوي عالمغيري: 1/91

البحر الرايق: 1/875

الفتاوي التاتارخانية: 1/559

الدر المختار: 2/456 ولا يصلي على النبي صلى الله عليه وسلم في القعدة الأولى في الأربع قبل الظهر والجمعة وبعدها ) ولو صلى ناسيا فعليه السهو

الفتاوى الهندية: 1/127

مراقى الفلاح: رقم 376

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 229 জন।

নামাজের শেষ বৈঠক, আমলে কাছিরা ও নামাজে দুনিয়াবী কথা বলা সংক্রান্ত ফাতাওয়া

ফতওয়া কোডঃ 143-সা-17-07-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রশ্ন হলো

১. নামাযে শেষ বৈঠকে তাশহুদ পড়ার পর ওজু ভঙ্গ হলে ওজু করে এসে সালাম ফিরেয়ে নিলে নামায হয়ে যাব। এই ফতওয়া আপনারা দিয়েছেন। এখানে আমার জানার হলো সালাম কোন জায়গায় বসে দিবে?

২. নামায ভঙ্গের কারণগুলোর মধ্যে দুটো হলো
ক. আমলে কাছীর করা। এখানে আমলে কাছীর বলতে কি ধরনের কাজকে বুঝানো হয়েছে?
খ. নামাযে দুনিয়াবী কিছু প্রার্থনা করা। এই বিষয়টি বুঝিয়ে বলবেন।

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

১. নামাজে মুক্তাদী অনিচ্ছায় উযু ভাঙ্গার কারণে যদি উযু করতে যায় এবং উযু শেষ করে ইমামকে নামাজে পায় এবং উযুর স্থান এমন হয় যেখান থেকে এক্তেদা করলে শুদ্ধ হবে না ( কোন প্রতিবন্ধকতার কারণে) তাহলে ফিরে এসে ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে। আর যদি উযু করার স্থানে এক্তেদা শুদ্ধ হয় অথবা ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেয় তাহলে উযু করার স্থানে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে নিবে, এসুরতে আপন স্থানে ফিরে নামাজ শেষ করা উচিত নয়।

২. (ক) আমলে কাছীর সম্পর্কে ফুকাহায়ে কেরাম থেকে কয়েকটি মতামত বর্ণিত রয়েছে তন্মধ্যে গ্রহণযোগ্য তিনটি মতামত তুলে ধরা হলো যথা:- ১. নামাজের ভিতরে এমন কোন কাজ করা যা দূর থেকে প্রত্যক্ষকারী ঐ ব্যক্তিকে নামাজে না থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়। ২. আমলে কাসীর দ্বারা প্রত্যেক এমন কাজ কে বোঝানো হয় যা সাধারণত দুই হাত দ্বারা করা হয় যেমন: পাগড়ি বাধা, লুঙ্গি পরা ইত্যাদি। ৩. কোন কাজ ধারাবাহিকভাবে তিন তাসবিহ পরিমাণ দীর্ঘায়িত করা। (খ) নামাজে দুনিয়াবি কিছু প্রার্থনা করলে নামায ভেঙ্গে যাবে এ বিষয়ে মূলনীতি হল: যদি কুরআন-হাদিসে বর্ণিত কোন দোয়ার মাধ্যমে কিছু প্রার্থনা করা হয় অথবা কুরআন-হাদিস বহির্ভূত এমন কিছু প্রার্থনা করা হয় যা মানুষের কাছে চাওয়া-পাওয়া অসম্ভব, এতে নামাজ ভাঙ্গবে না। আর যদি কুরআন-হাদিস বহির্ভূত এমন কোন কিছু প্রার্থনা করা হয় যা মানুষের নিকট চাওয়া সম্ভব তাতে নামাজ ভেঙ্গে যাবে। আর নামাজে আরবি ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় কোন দোয়া বা কিছু বললে সর্বাবস্থায় ভঙ্গ হয়ে যাবে।

সুত্রসমূহ

فتاوى الهندية: 1/95 ومنها إذا كان مقتديا أن يعود إلى الإمام إن لم يكن فرغ الإمام وكان بينهما حائل يمنع جواز الاقتداء ولو فرغ إمامه لا يعود ولو عاد اختلفوا في فساد صلاته ولو لم يكن بينهما مانع فله الاقتداء من مكانه من غير عود. هكذا في البحر الرائق والمنفرد بعد ما توضأ يتخير بين إتمام الصلاة في بيته والرجوع إلى مصلاه والرجوع أفضل. هكذا في الكافي والإمام كالمنفرد إن فرغ إمامه وإلا عاد ويتم خلف خليفته. كذا في شرح الوقاية

البحر الرائق: 2/3 . قَوْلُهُ وَالدُّعَاءُ بِمَا يُشْبِهُ كَلَامَنَا أَفْرَدَهُ وَإِنْ دَخَلَ فِي التَّكَلُّمِ لِأَنَّ الشَّافِعِيَّ لَا يُفْسِدُهَا بِالدُّعَاءِ وَيَنْبَغِي أَنْ يَتَعَلَّقَ قَوْلُهُ بِمَا يُشْبِهُ كَلَامَنَا بِالتَّكَلُّمِ وَالدُّعَاءِ وَقَدْ قَدَّمْنَا بِأَنَّ الدُّعَاءَ بِمَا يُشْبِهُ كَلَامَنَا هُوَ مَا أَمْكَنَ سُؤَالُهُ مِنْ الْعِبَادِ كَاللَّهُمَّ أَطْعِمْنِي أَوْ اقْضِ دَيْنِي وَارْزُقْنِي فُلَانَةَ عَلَى الصَّحِيحِ وَمَا اسْتَحَالَ طَلَبُهُ مِنْ الْعِبَادِ فَلَيْسَ مِنْ كَلَامِنَا مِثْلَ الْعَافِيَةِ وَالْمَغْفِرَةِ وَالرِّزْقِ سَوَاءٌ كَانَ لِنَفْسِهِ أَوْلِغَيْرِهِ وَلَوْ لِأَخِيهِ عَلَى الصَّحِيحِ

رد المحتار: 1/624 و يفسدها (كل عمل كثير) ليس من أعمالها ولا لإصلاحها، وفيه أقوال خمسة أصحها (ما لايشك) بسببه (الناظر) من بعيد (في فاعله أنه ليس فيها) وإن شك أنه فيها أم لا فقليل۔… القول الثاني أن ما يعمل عادة باليدين كثير وإن عمل بواحدة كالتعميم وشد السراويل وما عمل بواحدة قليل وإن عمل بهما كحل السراويل ولبس القلنسوة ونزعها إلا إذا تكرر ثلاثا متوالية وضعفه في البحر بأنه قاصر عن إفادة ما لا يعمل باليد كالمضغ والتقبيل. الثالث الحركات الثلاث المتوالية كثير وإلا فقليل الرابع ما يكون مقصودا للفاعل بأن يفرد له مجلسا على حدة. قال في التتارخانية: وهذا القائل: يستدل بامرأة صلت فلمسها زوجها أو قبلها بشهوة أو مص صبي ثديها وخرج اللبن: تفسد صلاتها. الخامس التفويض إلى رأي المصلي، فإن استكثره فكثير وإلا فقليل قال القهستاني: وهو شامل للكل وأقرب إلى قول أبي حنيفة، فإنه لم يقدر في مثله بل يفوض إلى رأي المبتلى. اهـ. قال في شرح المنية: ولكنه غير مضبوط، وتفويض مثله إلى رأي العوام مما لا ينبغي، وأكثر الفروع أو جميعها مفرع على الأولين. والظاهر أن ثانيهما ليس خارجا عن الأول، لأن ما يقام باليدين عادة يغلب ظن الناظر أنه ليس في الصلاة، وكذا قول من اعتبر التكرار ثلاثا متوالية فإنه يغلب الظن بذلك، فلذا اختاره جمهور المشايخ. اهـ. الدر المختار وحاشية ابن عابدين

رد المحتار: 1/619

البحر الرائق: 1/405

حاشية الطحطاوي: رقم 322

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 620 জন।

তাশাহুদের পর অজু ভেঙ্গে গেলে উক্ত নামাযের বিধান কি?

ফতওয়া কোডঃ 128-সা-29-05-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম, আচ্ছা হুজুর শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর সালাম ফিরানোর আগে যদি কোন কারনে উযু ভেঙ্গে যায়, তাহলে এই নামাযের বিধান কি?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

যদি শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর সালাম ফিরানোর আগে কোন কারনে উযু ভেঙ্গে যায়, তাহলে কথা-বার্তা না বলে উযু করে এসে সালাম ফিরালে নামাজ হয়ে যাবে, অন্যথায় এই নামাজ পুনরায় পড়া ওয়াজিব।

কারো সাথে কথা-বার্তা বলে ফেললে বা মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলে তখনও এই নামাজ পুনরায় পড়া ওয়াজিব।

সুত্রসমূহ

الدر المختار: 2/162 ( ولفظ السلام ) مرتين فالثاني واجب على الأصح

فيه ايضا: 2/558-559 ( ويسجد للسهو ولو مع سلامه ) ناويا ( للقطع ) لأن نية تغيير المشروع لغو ( ما لم يتحول عن القبلة أو يتكلم ) لبطلان التحريمة ولو نسي السهو أو سجدة صلبية أو تلاوية يلزمه ذلك ما دام في المسجد

فيه ايضا: 2/146-147 (لها واجبات) لا تفسد بتركها وتعاد وجوبا فى العمد والسهو إن لم يسجد له، وإن لم يعدها يكون فاسقا آثما

رد المحتار: 2/147-148 وكذا كل صلاة أديت مع كراهة التحريم تجب إعادتها،والمختار أنه جابر للأول ، لأن الفرض لا يتكرر

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 940 জন।

চলন্ত বাসে ইশারায় নামাজ পড়ার পর উক্ত নামাজ পরে পুনরায় পড়া জরুরী

ফতওয়া কোডঃ 126-সা-23-05-1443

প্রশ্নঃ

চলন্ত বাসে ইশারায় নামায পড়েছি, এখন পরবর্তীতে উক্ত নামায পুনরায় পড়তে হবে কি না? জানাবেন!

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

জি, কখনো কখনো চলন্ত বাসে কিবলামুখী হওয়া যায়না, দাড়ানো সম্ভব হয়না, রুকু-সিজদা করা যায়না, এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই ইশারায় নামাজ পড়তে হয়। তাই এমন ভাবে ইশারায় নামায পড়ার পর পরবর্তীতে উক্ত নামায পুনরায় পড়ে নেয়া অত্যাবশ্যক ও জরুরী।

সুত্রসমূহ

البحر الرائق: 1/248 فعلم منه أن العذر إن كان من قبل الله تعالى لا تجب الإعادة، وإن كان من قبل العبد وجبت الإعادة

رد المحتار: 2/131-133 ومنها القيام لقادر عليه, فلو عجز حقيقة وهو ظاهر أو حكما كما لو حصل له به ألم شديد، أو خاف زيادة المرض ….. فإنه يسقط

صحيح البخارى: 1/115 رقم 1117 عن عمران بن حصين رضى الله عنه قال: كانت بى بواسير، فسألت النبى صلى الله عليه وسلم عن الصلاة، فقال: صل قائما، فإن لم تستطع فقاعدا، فإن لم تستطع فعلى جنب

فتح القدير: 1/276 ولو كان على الدابة يخاف النزول للطين والردغة يستقبل، قال فى الظهيرية: وعندى هذا إذا كانت واقفة، فإن كانت سائرة يصلى حيث شاء

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 611 জন।

বিতরের নামাজ বাদ পরলে কাজা করে নিতে হবে

ফতওয়া কোডঃ 111-সা-06-05-1443

প্রশ্নঃ

ফরজ নামাযের মতো বিতরের নামাযও কি কাযা করতে হবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

নির্ভরযোগ্য তথ্য মতে বিতরের নামাজ পড়া ওয়াজিব, তাই কখনও এ নামাজ বাদ পড়লে ফরজ নামাজের মতো বিতর নামজেরও কাজা আদায় করে নিতে হবে।

সুত্রসমূহ

الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار: 2/73 وكذا حكم الوتر وقال ابن عابدين، لأنه فرض عملى عنده

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 531 জন।

নামাজের শেষ বৈঠকে শুধু দরুদ শরীফ তাকরার করলে সাজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয় না

ফতওয়া কোডঃ 110-সা-06-05-1443

প্রশ্নঃ

নামাজে দরুদ শরীফ পড়ার সময় ভুলে যাবার কারনে দরুদ শরীফের কিছু অংশ বারবার পড়লে কি সাহু সিজদা দিতে হবে? এই সাহু সিজদা কখন কিভাবে দিবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

নামাজের শেষ বৈঠকে দরুদ শরীফ পড়ার সময় দরুদ শরীফ ভুলে যাবার কারনে দরুদ শরীফের কিছু অংশ বারবার পড়লে সাজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে না।

নামজে সাধারনত এ ধরনের অবস্থা হয় অত্যাধিক ওয়াসওয়াসা বা মনোযোগ কম থাকার কারনে, কখনও এমন সাধারন বিষয় গুরুত্ব না দেয়ার কারনে নামাজ বাতিল হয়ে যায় অথচ আমরা বুঝি না। তাই খুশু-খুজু সহকারে নামাজ আদায় করা তাকওয়ার দাবী।

সুত্রসমূহ

الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار: 1/460 قَوْلُهُ وَكَذَا تَرْكُ تَكْرِيرِهَا إلَخْ فَلَوْ قَرَأَهَا فِي رَكْعَةٍ مِنْ الْأُولَيَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَجَبَ سُجُودُ السَّهْوِ لِتَأْخِيرِ الْوَاجِبِ وَهُوَ السُّورَةُ كَمَا فِي الذَّخِيرَةِ وَغَيْرِهَا، وَكَذَا لَوْ قَرَأَ أَكْثَرَهَا ثُمَّ أَعَادَهَا كَمَا فِي الظَّهِيرِيَّةِ، أَمَّا لَوْ قَرَأَهَا قَبْلَ السُّورَةِ مَرَّةً وَبَعْدَهَا مَرَّةً فَلَا يَجِبُ كَمَا فِي الْخَانِيَّةِ وَاخْتَارَهُ فِي الْمُحِيطِ وَالظَّهِيرِيَّةِ وَالْخُلَاصَةِ وَصَحَّحَهُ الزَّاهِدِيُّ لِعَدَمِ لُزُومِ التَّأْخِيرِ لِأَنَّ الرُّكُوعَ لَيْسَ وَاجِبًا بِإِثْرِ السُّورَةِ، فَإِنَّهُ لَوْ جَمَعَ بَيْنَ سُوَرٍ بَعْدَ الْفَاتِحَةِ لَا يَجِبُ عَلَيْهِ شَيْءٌ، كَذَا فِي الْبَحْرِ

حاشية الطحطاوى على مراقى الفلاح: 460

البحر الرائق: 2/97

احسن الفتاوى: 4/31, 4/29

فتاوى فقيه الملت: 3/276-277

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 481 জন।

নামাজে রাকাআত ছুটে গেলে মাসবুক ব্যক্তি কখন দাড়াবে?

ফতওয়া কোডঃ 104-সা-19-04-1443

প্রশ্নঃ নামাজে রাকাআত ছুটে গেলে ইমাম সাহেব সালাম শুরু করার সাথে সাথেই কি দাড়িয়ে যেতে হয়, নাকি সালাম শেষ করার পরে দাড়াতে হবে?

উত্তর : بسم اللہ الرحمن الرحیم

নামাজে রাকাআত ছুটে গেলে ইমাম সাহেব সম্পূর্ন সালাম শেষ করার পরে দাঁড়াতে হবে।

সুত্রঃ খিজানাতুল আকমালঃ ১/৫৮, বাদায়িউস সানায়েঃ ১/৫৬৩, হালবাতুল মুজাল্লিঃ ২/৪৬৪, হাশিয়াতুত তাহতাবি আলাল মারাকিঃ পৃষ্ঠা:- ২৫২

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 448 জন।

সরাসরি নামাজি ব্যক্তির সামনে থেকে সরে যাওয়া কেমন?

ফতওয়া কোডঃ 101-সা-18-04-1443

প্রশ্নঃ সরাসরি নামাজি ব্যক্তির সামনে থেকে সরে গেলে গুনাহ হবে?

উত্তর : بسم اللہ الرحمن الرحیم

সরাসরি নামাজী ব্যক্তির একবারে সোজা সামনে বসা ব্যক্তির জন্য নিজ স্থান ত্যাগ করে উঠে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। বিনা প্রয়োজনে এমন কাজ করা অনুচিত।

সুত্রঃ রদ্দুল মুহতারঃ ১/৬৩৬, আহসানুল ফাতাওয়াঃ ৩/৪০৮, এমদাদুল আহকামঃ ১/৮০৯

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 300 জন।

নামাজের মধ্যে মুক্তাদী ইমামের আগে কোন রুকন আদায় করলে নামায ভেঙে যায়!

ফতওয়া কোডঃ 32-সা-29-10-1442

প্রশ্নঃ নামাজের মধ্যে মুক্তাদী ব্যক্তির ইমামের আগে নামাজের কোন রুকন আদায় করার ব্যাখ্যা কি?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

নামাজে ইমাম সাহেবের আগে মুক্তাদি ব্যক্তির রুকু-সিজদাসহ যেকোনো রুকনে (নামাজের পুরো একটি স্তম্ভ) চলে যাওয়া অবৈধ। এ অবস্থায় ইমাম সাহেব যদি মুক্তাদী ব্যক্তিকে ওই রুকনে পায়, তাহলে নামাজ আদায় হয়ে গেলেও ওই মুক্তাদি ব্যক্তি গুনাহগার হবে। আর ইমাম সাহেব যদি তাকে ওই রুকনে না পায়, তাহলে ওই মুক্তাদি ব্যক্তির নামাজ ভেঙে যাবে।

সুত্রঃ বুখারি শরিফ, হাদিসঃ ৬৯১, হিন্দিয়াঃ ১/১০৭

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 316 জন।

ইকামত দেওয়ার সময় হাঁটাচলা করা ঠিক নয়!

ফতওয়া কোডঃ 31-সা-29-10-1442

প্রশ্নঃ মুআজ্জিন সাহেব ইকামতের সময় হাঁটাচলা করেন, এক কাতার থেকে অন্য কাতারে যান, মুআজ্জিন সাহেবের ইকামতের উক্ত পদ্ধতি সঠিক কিনা, তাকে পুনরায় ইকামত দিতে হবে কিনা?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

মুআজ্জিন সাহেব উক্ত কাজ ঠিক করেননি, ইকামতের সময় এমন কাজ করা অনুত্তম, তবে এক্ষেত্রে পুনরায় ইকামত দেওয়ার প্রয়োজন নেই ইকামত আদায় হয়ে গেছে।

সুত্রঃ আল মুহিতুল বুরহানিঃ ১/৩৪৫, ফাওয়াওয়ায়ে কাজিখানঃ ১/৩৮, আল বাহরুর রায়েকঃ ১/২৫৭, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাতঃ ৩/২১৪

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 292 জন।