Darul Ifta, Rahmania Madrasah Sirajganj

ভাষা নির্বাচন করুন বাংলা বাংলা English English
ফাতাওয়া খুঁজুন

Darul Ifta, Rahmania Madrasah Sirajganj, Bangladesh.

ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে যাকাতযোগ্য ব্যক্তি ঐচ্ছিক যাকাত গ্রহন করা কি বৈধ?

ফতওয়া কোডঃ 161-বিলে,ব্যবা-08-11-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম, মুহতারাম, একজন ক্রেতা আমার মাল কেনা দাম হতেও কমে নিতে চাচ্ছে, সাথে যেহেতু আমি যাকাতের মুস্তাহিক, তাই ক্রেতা আমাকে তার যাকাতও দিচ্ছে। এতে কোন পক্ষের জন্য শরীয়ত এর দিক থেকে কোন অসুবিধা আছে কিনা? কেমন যেন তার যাকাতের এমাওউন্ট এর কারনে আমার লসে বিক্রিও পোষায়ে যাচ্ছে।

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে সম্পৃক্ততা নেই এমন কোন শর্ত করলে ক্রয়-বিক্রয় বাতিল হয়ে যায়। প্রশ্নোক্ত সুরতে কেনা দাম থেকে কমে বিক্রির চুক্তির সাথে যদি যাকাত গ্রহণের শর্ত করা হয় তাহলে বিক্রয় ফাসিদ বলে গণ্য হবে। তবে যাকাত গ্রহণের শর্ত ব্যতীত কেনা দামের চেয়ে কমে বিক্রি করাতে কোন সমস্যা নেই।

সুত্রসমূহ

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار): 86/5 وفي الخلاصة: اشترى عبدا على أن يبيعه جاز، وعلى أن يبيعه من فلان لا يجوز؛ لأن له طالبا. ونقل في الفتح أيضا عبارة الخلاصة وأقرها. والظاهر أن وجهها كون بيع العبد ليس فيه نفع له، فإذا شرط بيعه من فلان صار فيه نفع لفلان وهو من أهل الاستحقاق فيفسد

البحر الرائق شرح كنز الدقائق: 99/16 وعلى أن يبيعه من فلان لا يجوز لأن له طالبا

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار): 4/591 وشرط بيع العبد إلا إذا قال: من فلان بأن قال: بعتك العبد على أن تبيعه من فلان فإنه يفسد؛ لأن له طالبا،” قره عين الأخيار لتكملة رد المحتار علي الدر المختار (8/ 183) “قلت: وبالقيل جزم في الخلاصة والبزازية وغيرهما، وكذا قاضيخان من باب ما يدخل في البيع تبعا من الفصل الاول، ومثله في الاشباه من العارية، لكن فيه أن الشرط إذا كان لا يقتضيه العقدلا يلائمه وفيه نفع لاحد المتعاقدين أو لآخر من أهل الاستحقاق ولم يتعارف بين الناس يفسد البيع

بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع: 3/12 لأن الشرط الذي يخالف مقتضى العقد مفسد في الأصل وشرط الرهن والكفالة مما يخالف مقتضى العقد؛ فكان مفسدا إلا أنا استحسنا الجواز

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار): 86/5 قال في البحر: كأن اشترى طعاما بشرط أكله أو ثوبا بشرط لبسه فإنه يجوز. اهـ تأمل (قوله ولو أجنبيا) تعميم لقوله لأحد، وبه صرح الزيلعي أيضا (قوله فلو شرط إلخ) تفريع على مفهوم التعميم المذكور، فإن مفهومه أنه لو كان فيه نفع لأجنبي يفسد البيع؛ كما لو كان لأحد المتعاقدين (قوله أو أن يقرضه) أي أن يقرض فلانا أحد العاقدين كذا، بأن شرط المشتري على البائع أن يقرض زيدا الأجنبي كذا من الدراهم أو شرط البائع على المشتري ذلك (قوله فالأظهر الفساد) وبه جزم في الفتح بقوله: وكذا إذا كانت المنفعة لغير العاقدين، ومنه إذا باع ساحة على أن يبني بهامسجدا أو طعاما على أن يتصدق به فهو فاسد. اهـ. ومفاده أنه لا يلزم أن يكون الأجنبي معينا، وتأمله مع ما قدمناه آنفا عن الخلاصة، إلا أن يجاب بأن المسجد والصدقة يراد بهما التقرب إلى الله تعالى وحده، وإن كانت المنفعة فيهما لعباده، فصار المشروط له معينا بهذا الاعتبار تأمل

ضوابط: 2/53 ہر وہ شرط جو مقتضاۓ عقد یا ملائم عقد ہو یا لوگوں میں متعارف وہ بیع میں جائز ہے ۔اور جوشرط ایسی نہ ہو اوراس میں بائع یا مشتری یا شیع کا نفع ہو تو وہ جائز نہیں، اس سے بیع فاسد ہو جائے گی۔

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 115 জন।

রাইস মিল মালিকের সাথে ধান-চাল ক্রয়-বিক্রয় সম্বন্ধে বিবিধ ফতওয়া

ফতওয়া কোডঃ 160-বিলে,ব্যবা-05-11-1443

প্রশ্নঃ

১ . কোন ব্যক্তি রাইস মিল মালিককে চাল ক্রয় বাবদ ৫০,০০০ হাজার টাকা দিল এই শর্তে যে এ মুহূর্তে সে চাল নিবে না, বরং বছরের যে কোনো সময় (তখন চালের দাম কমে যাক বা বেড়ে যাক) ঐ চালের তৎকালীন বাজারমূল্য মিল মালিক হতে গ্রহণ করবে।

২. কোন ব্যক্তি রাইস মিল মালিককে ১০০ বস্তা ধান দিল এবং শর্তারোপ করল, বছরের যে কোনো সময় ঐ ধানের চলমান বাজারমূল্য মিল মালিক হতে গ্রহণ করতে পারবে।

৩. মাল গোডাউনে রেখে শুধুমাত্র মেমো ক্রয়-বিক্রয় করা কতটুকু শরীয়ত সম্মত?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

১. এই ভাবে ক্ৰয় বিক্ৰয় জায়িয হবেনা, কারন এখানে ক্ৰয় বিক্ৰয়ের চুক্তির মাঝে এমন শর্ত আরোপ করেছে যা ক্ৰয় বিক্ৰয়ের চুক্তি বহিৰ্ভুত। আবার মেয়াদটাও অনিৰ্ধারিত, যা ঝগড়া ফাসাদের কারন হতে পারে। এ জন্য উক্ত ক্ৰয়-বিক্ৰয় শরিয়ত সম্মত নয়।

২. প্রশ্ন থেকে বোঝা যাচ্ছে, বিক্ৰেতা রাইস মিল মালিকের কাছে ১০০ বস্তা ধান দিলো, তখন বিক্ৰয় চুক্তি সম্পাদন করে নাই। বরং ভবিষ্যতে এ বিক্ৰয় করার ওয়াদা করা হয়েছে যে, বছরের যেকোন সময় উক্ত ধানগুলোকে বাজার মুল্যে আপনার কাছে বিক্ৰি করে দিবে। সুতরাং তখন এটা بيع হিসাবে গন্য হয়নি। বরং এটা البيع بالوعدة হিসাবে গন্য হয়েছে। অত‌এব পরবৰ্তিতে যখন উভয়ে বাজার মুল্যে ক্ৰয়-বিক্ৰয় করবে তখন তা البيع بالتعاطي হিসাবে গন্ন হবে। আর এ ধরনের ক্ৰয় বিক্ৰয় জায়িয আছে।

৩. অস্থাবর স্থানান্তরযোগ্য পন্য হস্তগত না করে গোডাউনে শুধু পেপারস/মেমো ক্ৰয় বিক্ৰয় করা শরিয়ত সম্মত নয়। নবীয়ে করীম সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পন্য হস্থগত করার আগে বিক্ৰি করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করেছেন।

হযরত হাকিম ইবনে হিযাম রা. বলেনঃ আমি রসুল সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রসূল আমি পন্য ক্ৰয়-বিক্ৰয় করি এর কোন পন্থাটি হালাল আর কোনটা হারাম? রসুল সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ যখন তুমি কোন পন্য ক্ৰয় করবে তখন তা হস্তগত করার আগে অন্যত্ৰ বিক্ৰি করবেনা।

সুত্রসমূহ

سنن ابي داود و سنن الترمذي و سنن النساي و سنن ابن ماجه: قال رسول الله صلي.لا يحل سلف وبيع ولا شرطان في بيع

البحر الرائق: كتاب البيوع..باب بيع الفاسد….اشار المصنف.بالعتق وما عطف عليه الي كل شرط لا يقتضيه العقد ولا يلاءمه…وفيه منفعة لاحد المتعاقدين او للمعقود عليه

فتح القدير: كتاب البيوع, باب البيع الفاسد

بدائع الصنائع: كتاب البيوع, فصل في شرائط الصحة في البيوع

المبسوط للسرخسي: كتاب البيو ع, باب البيوع اذا كان فيها شرط

سورة البقرة: 257 احل الله البيع وحرم الربي

ابن ماجة: يا معشر التجار ان بيعكم هذا يحضره اللغو و الكذب فشوبوه بالصدقة

فتح القدير: كتاب البيوع..اما ركنه فالفعل المتعلق بالبدلين من المتاطبين او من يقوم. مقامهما الدال علي الرضا بتبادل الملك فيهما

البحر الرائق: كتاب البيوع, ان ركنه الايجاب والقبول الخ

الدر المختار: كتاب البيوع, و شرعا مبادلة شىء مرغوب فيه بمثله علي وجه مخصوص, اي بايجاب او تعاط

فتح القدير: كتاب البيوع, باب البيع الفاسد

سنن ابي داود و سنن الترمذي و سنن النساي: حديث حكيم بن حزام لا تبع شيءا حتي تقبضه

بدائع الصنائع: 5/181

شرح فتح القدير: 6/510

تبيين الحقائق: 4/79

المبسوط للسرخسي: 9/10-13

البحر الرائق: 6/126

الفقه الاسلامي و ادلته: 5/175

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 74 জন।

বাচ্চার কপালে কুসংস্কার মনে না করে শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য টিপ দেয়া কেমন?

ফতওয়া কোডঃ 159-বিপ্র-15-10-1443

প্রশ্নঃ

আমার জানার বিষয় হল, বাচ্চার কপালে কোন ধরনের কুসংস্কার মানা ছারা শুধুমাত্র সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য যদি টিপ দেই তাহলে সেটা শরীয়ত সম্মত হবে কিনা?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

কোন আবস্থাতেই কপালে টিপ ব্যবহার করা জায়েয নেই, চাই ছোট হোক বা বড় হোক, চাই তা সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য হোক বা নজর লাগার ভয়ে হোক। আর নজর লাগার ভয়ে ব্যবহার করা শিরক।

টিপ পড়া মূলত হিন্দুদের একটি অংশ। যা হিন্দুদের ধৰ্ম বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অন্তৰ্ভূক্ত, বাংলা একাডেমিক ব্যবহারিক অভিধান এবং উইকিপিডিয়া এ কথা প্ৰমান করেছে যে, টিপ বৈষ্ণব সমপ্ৰদায়ের নারীর ব্যবহার করে থাকে, বৈষ্ণব সম্প্ৰদায় হলো হিন্দু ধৰ্মের একটি শাখা, সুতরাং এটি পরিধান করলে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির চৰ্চা করা হয়, যা ইসলামে হারাম।

সুত্রসমূহ

مسند احمد: رقم 3718 المرء مع من احب

الصحيح البخاري: رقم 6168, 5816

سنن ابي داود: رقم 4031 من تشبه بقوم فهو منهم

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 82 জন।

ওমরায় সফররত ব্যক্তিদের রোজার বিধান!

ফতওয়া কোডঃ 158-স-03-10-1443

প্রশ্নঃ

১. বাংলাদেশ থেকে এক ব্যক্তি ৩০ শাবান দুপুরের খাবার খেয়ে ৩টার ফ্লাইটে  ওমরার উদ্দেশ্যে  রওনা হয়ে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় জেদ্দা পৌঁছে দেখলো ১ম রোজার ইফতারের প্রস্তুতি  চলছে।

২. অন্য ব্যাক্তি ওমরাহ শেষ করে ৩০ রমজানের পরদিন ১ শওয়াল ঈদের সলাত পরে সকাল ৯ টার ফ্লাইটে স্থানীয়  সময় বিকেল ৬টায় ঢাকায় পৌঁছে দেখলো সবাই ৩০তম রোজার ইফতারের প্রস্তুতি  নিচ্ছে।

উপরোক্ত দুই ব্যক্তির করনীয় কী? শরয়ী দলিল সহ জানতে চাই।

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

১. ১ম ব্যক্তির জন্য কৰ্তব্য হলো সে পরবৰ্তিতে ঐ দিনের রোজাটা কাযা করবে। তবে কাফফারা দিতে হবেনা।

২. ২য় ব্যক্তির জন্য করনীয় হলো তার যদি ২৯ দিন পূৰ্ন না হয়। তাহলে সে ঐ রোজাটা কাযা করবে। আর যদি ২৯ দিন পুৰ্ন হয় তাহলে তাকে উক্ত দিনের রোজা কাযা করতে হবেনা। তবে দিনের বাকিটা সময় অন্য রোজাদারদের সম্মানে খানাপিনা থেকে বিরত থাকা থাকবে।

সুত্রসমূহ

سنن الترمذي و ابو داود: الصوم يوم تصومون و الفطر يوم تفطرون

در المختار: 2/408

حاشية ابن عابدين: 3/44 فيهم.االاصل في هذه المساءل ان كل من صار في اخر الانهار بصفة لو كان في اول النهار عليها للزمه الصوم فعليه المساك

بدائع الصنائع: كتاب الصوم فصل في حكم الصوم المقت اذا فات عن وقته

حاشية ابن عابدين: 3/386

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 73 জন।

স্ত্রী বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী স্বামীকে ডিভোর্স দিলে তা শরিয়াহ অনুযায়ী তালাক হবে কি?

ফতওয়া কোডঃ 157-তাখু-26-09-1443

প্রশ্নঃ

স্ত্রী বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী স্বামীকে ডিভোর্স দিলে তা শরিয়াহ অনুযায়ী তালাক হবে কি না?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

ইসলামী আইনে তালাক দেয়ার অধিকার শুধু স্বামীকে দেয়া হয়েছে, তাই স্ত্রী তালাক দিলে তালাক হবে না। তবে বিবাহ বা পরবর্তী কোন সময়ে স্বামী যদি তার স্ত্রীকে তার নিজের ওপর তালাক নেয়ার অধিকার প্রদান করে, এবং সে হিসেবে স্ত্রী স্বামীর প্রদত্ত অধিকারের ভিত্তিতে নিজের ওপর তালাক নিয়ে নেয় তাহলে তালাক হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য যে, কাবিননামার সব শর্ত মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করার দ্বারাও স্ত্রীকে অধিকার প্রদান হয়ে যায়। প্রশ্নোক্ত সুরতে কাবিননামার ১৮নং ধারার ভিত্তিতে অথবা অন্য কোনো ভাবে স্বামীর প্রদত্ত অধিকারের ভিত্তিতে স্ত্রী যদি ডিভোর্স দেয় তাহলে তালাক হয়ে যাবে।

সুত্রসমূহ

رسورة الأحزاب: 28-29 يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلًا * وَإِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالدَّارَ الْآَخِرَةَ فَإِنَّ اللَّهَ أَعَدَّ لِلْمُحْسِنَاتِ مِنْكُنَّ أَجْرًا عَظِيمًا

صحيح البخاري: رقم 4885 عن عائشةَ رَضِيَ الله عنها قالت: خَيَّرَنا رسولُ الله صلَّى اللهُ عليه وسلَّم، فاختَرْنا اللهَ ورَسولَه، فلم يَعُدَّ ذلك علينا شَيئًا

الموسوعة الفقهية: يَصِحُّ للزَّوجِ أن يُفَوِّضَ امرأتَه في الطَّلاقِ، وذلك باتِّفاقِ المَذاهِبِ الفِقهيَّةِ الأربَعةِ: الحَنَفيَّةِ، والمالِكيَّةِ، والشَّافِعيَّةِ، والحَنابِلةِ، وحُكي فيه الإجماعُ

الفتاوى الهندية: 1/387

الحيلة الناجزة: رقم 40

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 90 জন।

ঈদের নামাজের খতিবের জন্য যে টাকা মুসল্লিদের থেকে উত্তোলন করা হয় তা অন্য কোন ফান্ডে খরচ করা অবৈধ

ফতওয়া কোডঃ 156-জুই-21-09-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। হযরত, আশা করি আল্লাহর ফজলে ভালো ও সুস্থ থেকে দ্বীনী খিদমাহ আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন, আমার জানার বিষয় হলোঃ

ঈদের নামাজের খতিবের জন্য নামাজ পড়ানোর হাদিয়ার নামে যে টাকা মুসল্লিদের থেকে উত্তোলন করা হয় এবং মুসল্লিগণ ও স্বেচ্ছায় যে হাদীয়া ইমামের জন্য (টাকা উত্তোলন কারীদের হতে) দিয়ে থাকেন, সে টাকা কি সম্পূর্ণ ইমামামের হক? নাকি সেই টাকা হতে ইমাম কে কিছু দিয়ে বাকি টাকা সমাজের ফান্ডে জমা রাখা জায়েজ? এমনটি করলে কি গোনাহ হবে?

উক্ত মাসআলার শরঈ সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন বলে আশাবাদী, জাজাকুমুল্লাহ খায়রান।

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

মূলত এই বিষয়টি যারা টাকা দান করছেন তাদের নিয়তের উপর নিৰ্ভরশীল। তবে উল্লেখিত প্ৰশ্নের বিবরণ অনুযায়ী বোঝা যাচ্ছে যে, মুসুল্লী কতৃক ইমাম সাহেব কে যে টাকা হাদিয়া বা দান করছে তা মূলত ঈদের ইমামতি বাবদ শুধুমাত্ৰ ইমাম সাহেবকেই দেওয়া উদ্যেশ্য। অন্য কোন ফান্ডের জন্য নয়। সুতরাং ইমাম সাহেবকে হাদিয়া দেওয়ার জন্য যে টাকা উত্তোলনকারীদের হাতে বা নিজেরা স্বেচ্ছায় দিচ্ছে তা মূলত ইমাম সাহেবের হক। কিছু টাকা ইমাম সাহেবকে দিয়ে বাকি টাকা অন্য কোন ফান্ডে খরচ করা বৈধ নয়।

সুত্রসমূহ

ردالمحتار: 4/459 وفي الاسعاف .ولا يجوز له ان يفعل الا ما شرط وقت العقد .اه.وفي فتاوي الشيخ القاسم ومت كان من شرط معتبر في الوقف فليس للواقف تغييره ولا تخصيصه بعد تقرره ولا سيما بعد الحكم

مجمع الانهر: كتاب الوقف

فتح القدير: كتاب الوقف

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 127 জন।

জমির উপর টাকা দিয়ে রাখলে, উক্ত টাকার জাকাত দিতে হবে কি?

ফতওয়া কোডঃ 155-সুই-13-09-1443

প্রশ্নঃ

আমি ১ বিঘা জমির উপরে ৫০,০০০ টাকা দিয়েছিলাম। প্রতিবছরে লাভ হিসাবে ৭,০০০ টাকা আসে। দুই বৎসর টাকা দেবার পর ৫ বৎসর যাবৎ টাকার লাভ দিচ্ছে না এবং আসল টাকাও দিচ্ছে না। এখন এই ৫০,০০০ টাকার উপর যাকাত দিতে হবে কিনা?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

আপনি জমির উপর টাকা দিয়ে যে লাভ গ্ৰহন করছেন, ঐ লাভের উপর যাকাত আসবেনা। কেননা তা হারাম টাকা। আর আল্লাহ তাআলা একমাত্ৰ হালাল বস্ত‌ই কবুল করেন। সুতরাং উক্ত লাভের টাকাগুলো সওয়াবের নিয়ত ছাড়া (হারামের বোঝা থেকে নিষ্কৃতির জন্য) সদকা করে দিতে হবে। আর আপনি যে ৫০,০০০ টাকা জমিওয়ালাকে দিয়েছেন উক্ত টাকার উপর যাকাত ফরয হবে। আপনাকে উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে। উক্ত টাকা হস্তগত হলে বিগত বছরগুলোর হিসাব করে যাকাত আদায় করবেন।

সুত্রসমূহ

الدر المختار: 2/270

كتاب الهنديية: كتاب الزكاة الباب الاول

بدائع الصنائع: كتاب الزكاة فصل الشرائط التي ترجع الي المال

فتح القدير: كتاب الزكاة

المبسوط للسرخسي: كتاب الزكاة

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 97 জন।

স্ত্রী যদি সেচ্ছায় মহর মাফ করে দেয়, তাহলে কি তা জায়েজ হবে?

ফতওয়া কোডঃ 154-বি-25-08-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম, হযরত আমার প্রশ্ন হলো, স্ত্রী যদি সেচ্ছায় মহর মাফ করে দেয়, তাহলে কি তা জায়েজ হবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

স্ত্রী যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে মহরের কিছু অংশ ছেড়ে দেয় কিংবা গ্রহণ করার পর স্বামীকে উপহার দিয়ে দেয়, তাহলে স্বামী তা সানন্দে ভোগ করতে পারবে। পূর্ণ মহর ছেড়ে দেওয়া বা পূর্ণ মহর স্বামীকে উপহার দেওয়ারও অধিকার স্ত্রীর রয়েছে। তবে স্বামী যদি চাপ দিয়ে বা কৌশলে পূর্ণ মহর বা কিছু অংশ মাফ করিয়ে নেয়, তাহলে তা মাফ হবে না।

সুত্রসমূহ

احكام القران للجصاص: 2/57-58

تفسير ابن كثير: 1/442

بيان القران: 2/93

تفسير عثماني: رقم 100

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 113 জন।

স্টেরয়েড জাতীয় ইঞ্জেকশন দিয়ে মোটা করা গরু দিয়ে কি কুরবানী হবে?

ফতওয়া কোডঃ 153-যকু-25-08-1443

প্রশ্নঃ

স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ (ইঞ্জেকশন) দিয়ে মোটা তাজা করা গরু দিয়ে কি কুরবানি হবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

যদি পশুতে কুরবানী শুদ্ধ হওয়ার অন্য সকল শর্ত পাওয়া যায় তাহলে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ (ইঞ্জেকশন) দিয়ে মোটা তাজা করা গরু দিয়ে কুরবানী জায়েয হবে। কুরবানী করতে কোন সমস্যা হবেনা। তবে খামারীদের উচিৎ অধিক মুনাফার আশায় এই ধরনের গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকা।

সুত্রসমূহ

الموسوعة الفقهيية: والاصل الذي دل علي اشتراط السلامة من هذه العيوب كلها ما صح عن النبي صلي.انه قال لا تجزي من الضحاىا اربع..العوراء البيين عورها العرجاء البيين عرجها المريصة البيين مرضها والعجفاء التي لا تنقي

سنن ابی داؤد: 3/235

سنن النسائي: 7/214

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 97 জন।

বয়স্ক ভাতা ধনী-সামর্থবান ব্যক্তিরাও কি গ্রহন করতে পারবে?

ফতওয়া কোডঃ 152-হাহা-11-08-1443

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত হযরাত, সরকার বয়স্ক ভাতা প্রদান করিতেছে, আমার জানার বিষয় হলোঃ এই ভাতা সবাই গ্রহন করতে পারবে কি না? মানে ধনী সামর্থবান ব্যক্তিও কি গ্রহন করতে পারবে?

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

বয়স্ক ভাতা যদি বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত থাকে চাই ধনী হউক বা গরিব, তাহলে সবাই নিতে পারবে৷ আর যদি শুধু গরিবদের জন্য দেয়া হয় তাহলে ধনী ব্যক্তিরা নেয়া জায়েয হবে না৷ কেননা এতে অন্যায় ভাবে অন্যের হক নিজে ভক্ষণ করা হচ্ছে।

সুত্রসমূহ

سورة النساء: 29 يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ تِجَارَةً عَنْ تَرَاضٍ مِنْكُمْ وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 126 জন।