Darul Ifta, Rahmania Madrasah Sirajganj

ভাষা নির্বাচন করুন বাংলা বাংলা English English
ফাতাওয়া খুঁজুন

আখলাক ও আদাব

অবুঝ বাচ্চাদের মসজিদে না আনাই উত্তম!

ফতওয়া কোডঃ 125-আমামা,আআ-20-05-1443

প্রশ্নঃ

অবুঝ ছেলেদের নামাজের জন্য মসজিদে নিয়ে যাওয়া কেমন? আল্লামা আজহারীর বয়ান শুনলাম, তিনি নিয়ে যেতে গুরুত্ব দিয়েছেন। আবার হযরত হাসানাইন রা. নামাজের সময় রসুলুল্লাহ সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাধে উঠতেন, তাই এই বিষরটি বিস্তারিত আমি জানতে আগ্রহী।

সমাধানঃ

بسم اللہ الرحمن الرحیم

বাচ্চা ছেলেদের মসজিদে নামাজের জন্য নিয়ে আসা বা না নিয়ে আসা উভয় ব্যাপরে হাদিসে নির্দেশনা এসেছে। তবে নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী অবুঝ ও ছোট বাচ্চাদের মসজিদে না নিয়ে আসাই উত্তম। বরং প্রথমে তাদেরকে মসজিদের আদব ও শিষ্টাচার, নামাজের মাসাইল সমূহ হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া জরুরী। পাক-নাপাক এর মাসাইল সমূহ গুরুত্বের সাথে শিক্ষা দিয়ে যখন বাচ্চার দ্বারা মসজিদের আদবের খিলাফ কোন কাজ না হবে, বাচ্চার দ্বারা অন্য কোন মুসল্লির নামাজের ক্ষতি না হবে, তখন মসজিদে আনতে কোন সমস্যা নেই।

কোন আলেম কোন মাসআলা বর্ননা করলে পূর্ন ব্যাখ্যার সাথে বর্ননা করা অতিজরুরী, অন্যথায় সাধারন মুসলমানরা বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মিষ্টার আজহারী সাহেব কোন মুফতি নন, আমরা তাকে ভালভাবে কুরআন-হাদিস অধ্যায়ন করে মাসআলা-মাসাইল বর্ননা করার অনুরোধ করবো।

সুত্রসমূহ

سنن ابن ماجة: 1/247 عن واثلة بن الأسقع، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «جنبوا مساجدكم صبيانكم، ومجانينكم، وشراءكم، وبيعكم، وخصوماتكم، ورفع أصواتكم، وإقامة حدودكم، وسل سيوفكم، واتخذوا على أبوابها المطاهر، وجمروها في الجمع

الدر المختار: 1/93 ویحرم إدخال صبیان ومجانین حیث غلب تنجیسهم وإلا فیکرہ قوله یحرم إلخ لما أخرجه المنذري مرفوعًا جَنّبُوا مساجدَکم صِبیَانَکم ومجانینَکم

فتوی الشامیة: 1/486 یحرم …الخ) لما أخرجه المنذري مرفوعاً: جنّبوا مساجد کم صبیانکم… الخ والمراد بالحرمة کراهة التحریم

فيض القدير: 3/351 (جنبوا مساجدنا) وفي رواية مساجدكم (صبيانكم) أراد به هنا ما يشمل الذكور والإناث (ومجانينكم) فيكره إدخالهما تنزيها إن أمن تنجيسهم للمسجد وتحريما إن لم يؤمن

نيل الأوطار: 2/144 (وعن أبي هريرة قال: «كنا نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم العشاء، فإذا سجد وثب الحسن والحسين على ظهره فإذا رفع رأسه أخذهما من خلفه أخذا رفيقا ووضعهما على الأرض، فإذا عاد عادا حتى قضى صلاته، ثم أقعد أحدهما على فخذيه، قال: فقمت إليه، فقلت: يا رسول الله أردهما فبرقت برقة، فقال لهما: الحقا بأمكما فمكث ضوؤها حتى دخلا» . رواه أحمد) . الحديث أخرجه أيضا ابن عساكر وفي إسناد أحمد كامل بن العلاء وفيه مقال معروف، وهو يدل على أن مثل هذا الفعل الذي وقع منه صلى الله عليه وسلم غير مفسد للصلاة.
وفيه التصريح بأن ذلك كان في الفريضة، وقد تقدم الكلام في شرح الحديث الذي قبل هذا.
وفيه جواز إدخال الصبيان المساجد. وقد أخرج الطبراني من حديث معاذ بن جبل قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «جنبوا مساجدكم صبيانكم وخصوماتكم وحدودكم وشراءكم وبيعكم وجمروها يوم جمعكم واجعلوا على أبوابها مطاهركم» ولكن الراوي له عن معاذ مكحول وهو لم يسمع منه، وأخرج ابن ماجه من حديث واثلة بن الأسقع أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «جنبوا مساجدكم صبيانكم ومجانينكم وشراءكم وبيعكم وخصوماتكم ورفع أصواتكم وإقامة حدودكم وسل سيوفكم واتخذوا على أبوابها المطاهر وجمروها في الجمع» وفي إسناده الحارث بن شهاب وهو ضعيف. وقد عارض هذين الحديثين الضعيفين حديث أمامة المتقدم وهو متفق عليه. وحديث الباب وحديث أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إني لأسمع بكاء الصبي وأنا في الصلاة فأخفف، مخافة أن تفتتن أمه» وهو متفق عليه فيجمع بين الأحاديث بحمل الأمر بالتجنيب على الندب كما قال العراقي في شرح الترمذي، أو بأنها تنزه المساجد عمن لا يؤمن حدثه فيها

فتاوی رحیمیة: (سوال  ۱۳۴) ہمارے  یہاں  بعض مصلی اپنے ساتھ چھوٹے بچوں  کو مسجد میں  لاتے ہیں  اور جماعت خانہ میں  بٹھاتے ہیں ، وہ بچے کبھی روتے ہیں ، کبھی شرارت کرتے ہیں  اور گاہے پیشاب بھی کردیتے ہیں ، ان کو کہا جاتا ہے کہ بچوں  کو اپنے ساتھ نہ لاؤ،  اس سے مسجد کی بے حرمتی ہوتی ہے، مگر وہ نہیں  مانتے، ان کی سمجھ میں  آجائے ایسا جواب تحریر فرمائیں ۔ بینواتوجرو ا! (الجواب)مسجد میں  چھوٹے بچوں  کو لانے کی اجازت نہیں  ، مسجد کاادب و احترام باقی نہ رہے گا اور لانے والے کو بھی اطمینانِ  قلب نہ رہے گا ،نماز میں  کھڑے ہوں  گے مگر خشوع وخضوع نہ ہوگا، بچوں  کی طرف دل لگارہے گا ،حضور صلی  اللہ علیہ وآلہ وسلم کا ارشاد ہے: “جنبوا مساجد کم صبیانکم و مجانینکم  …”الخ  اپنی مسجدوں  کوبچوں  اور پاگلوں  سے بچاؤ

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 393 জন।

কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো মাকরূহ

ফতওয়া কোডঃ 103-আআ-19-04-1443

প্রশ্নঃ কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো উচিত হবে কি?

উত্তর : بسم اللہ الرحمن الرحیم

ইচ্ছাকৃত ঘুমন্ত বা জাগ্রত অবস্থায় পবিত্র কা’বা শরীফ বা কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো মাকরূহ, তবে অনিচ্ছায় হলে সমস্যা নেই।

সুত্রঃ সুরা হজ্জ্বঃ ৩২, ফাতাওয়া হিন্দিয়াঃ ৫/৩১৯, আল মুহিতুল বুরহানীঃ ৮/১০, ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়াঃ ২৯/১৭৪

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 239 জন।

রশিদ বই, চাঁদা উত্তোলনের কুপন বা মাহফিল এর পোস্টারে “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহার!

ফতওয়া কোডঃ 52-আআ-22-11-1442

প্রশ্নঃ মাদ্রাসার রশিদ বই, চাঁদা উত্তোলনের কুপন বা মাহফিল এর পোস্টারে “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহারের বিধান কি?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

যে জায়গায় “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহার করলে এ শব্দের সাথে বেয়াদবির আশঙ্কা থাকে, এ সমস্ত জায়গায় “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহার করা জায়েজ নেই, মাদ্রাসার রশিদ বই, চাঁদা উত্তোলনের কুপন বা মাহফিল এর পোস্টারে “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহারে বেয়াদবি হয়ে যেতে পারে, তাই এ সমস্ত স্থানে “আল্লাহ” শব্দ ব্যবহার থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতাসহ বিরত থাকতে হবে ।

সুত্রঃ তাবয়িনুল হাকায়েকঃ ১/৫৮, মুসলিম শরীফঃ হাদিস নং ১৮৬৯, আদ্দুররুল মুখতারঃ ৪/১৩০, হিন্দিয়াঃ ৫/৩২৩, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়াঃ ৩/৫৩৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাতঃ ১২/৩৪৫

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 250 জন।

এক মুসলমান অন্য মুসলমানের কাছে দুআ চাইতে পারবে কি?

ফতওয়া কোডঃ 36-আআ-08-11-1442

প্রশ্নঃ অনেকেই বলে এক মুসলমান অন্য মুসলমানের কাছে দুআ চাইবে কেন? যে দুআ চাইবে তার আল্লাহ আর যার কাছে দুআ চাইবে তার আল্লাহ কি ভিন্ন? আমি জানতে চাই এক মুসলমান অন্য মুসলমানের কাছে দুআ চাইতে পারবে কিনা?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

যারা এধরনের কথা বলে তারা সাধারনত মূর্খ, কুরআন-সুন্নাহের জ্ঞান তাদের নেই, এক মুসলমান অন্য মুসলমানের কাছে দুআ চাওয়ার বিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা সুস্পষ্ট, হযরত ইউসুফ আঃ এর ভাইয়েরা তাদের পিতার কাছে দুআ চেয়ে ছিলেন, হযরত ওমর রাঃ ওমরায় যাওয়ার সময় স্বয়ং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে দুআ চেয়েছেন, অতএব কোন মুসলমান অপর মুসলমানের কাছে দুআ চাইতে পারবে না এই কথা সঠিক নয় ও কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী।

সুত্রঃ সুরা ইউসুফঃ ৯৭-৯৮, তিরমিজী শরীফঃ ৫/৩৮

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 250 জন।

ছাত্রকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা বা বেত্রাঘাত করা কতটুকু শরীয়ত সম্মত?

ফতওয়া কোডঃ 35-আআ-08-11-1442

প্রশ্নঃ কোন ছাত্র যদি লেখাপড়া বা মাদ্রাসার কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবহেলা করে, তাহলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা বা বেত্রাঘাত করা কতটুকু শরীয়ত সম্মত?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

প্রশ্নে লেখাপড়ায় অবহেলা করলে বুঝিয়ে কাজ নিতে হবে, এজন্য গালিগালাজ করা কোনভাবেই শরীয়ত সম্মত নয়, স্বাভাবিক বেত্রাঘাত দোষণীয় নয়, তবে ছাত্রের পিতা-মাতারা যেহেতু বর্তমানে বেত্রাঘাতের অনুমতি দেয় না, তাই নাবালেগ ছাত্রদেরকে বেত্রাঘাত করা যাবেনা, মাদ্রাসার/ব্যক্তিগত কাজ না করলে বা এক্ষেত্রে অবহেলা করলে কোনভাবেই গালি দেয়া বা বেত্রাঘাত করা শরীয়ত সম্মত নয়।

সুত্রঃ হেদায়াঃ ৪/১৩২, বাদাইয়ুস সানায়েঃ ৭/৬৩, রদ্দুল মুহতারঃ ৬/৪৩০, কেফায়াতুল মুফতিঃ ২/২০৩, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়াঃ ১৬/১০২

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 206 জন।

গরু, ছাগল, কুকুর, শুয়োর, জানোয়ার, শয়তান ইত্যাদি বলে উস্তাদ ছাত্রকে গালি দিতে পারবে না

ফতওয়া কোডঃ 34-আআ-07-11-1442

প্রশ্নঃ গরু, ছাগল, কুকুর, শুয়োর, জানোয়ার, শয়তান ইত্যাদি বলে উস্তাদ ছাত্রকে গালি দেয়া বৈধ?

উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم

প্রশ্নে বর্ণনামতে উক্ত শব্দ দ্বারা উস্তাদ ছাত্রকে গালি দেয়া বৈধ নয়, এমন গালি দেয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

সুত্রঃ হেদায়াঃ ৪/১৩২, বাদাইয়ুস সানায়েঃ ৭/৬৩, দুররুল মুখতারঃ ৪/৬৯

والله اعلم بالصواب

দারুল ইফতা, রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।

আপনিসহ এই ফতওয়াটি পড়েছেন মোট 260 জন।